Friday, May 11, 2012

প্রোটিন গঠন , স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রমাণ


"ঈশ্বর বলে কিছুই নেই !!!!! সব কিছুই কাকতালীয় ভাবে  উৎপন্ন হয়েছে। সকল প্রাণী  বিবর্তনের ফসল।"

 উক্তিটি নাস্তিক , বিবর্তনবাদীদের মধ্যে Common একটি কথা । 

কিন্তু , সামান্য একটি প্রোটিনই  এই ধারণাকে ভুল প্রমাণে যথেষ্ট । কারণ কাকতালীয় ভাবে একটি প্রোটিন গঠনের সম্ভাব্যতা হল ১/(১০^৯৫০) !! ১০^৯৫০ মানে হল ১ এর পরে ৯৫০ টা শূন্য বসালে যে সংখ্যা হয়। অর্থাৎ সম্ভাবতা হবে , "." এর পরে ৯৪৮টা শূন্য বসাইয়ে এর পর ১ বসালে যে সংখ্যা হয়।  অর্থাৎ কাকতালীয় ভাবে একটি প্রোটিন গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা ''০'' ।নিচে  এই সহজ গণিতটি তুলে ধরা হল।  যারা সম্ভাব্যতা বুঝেন না , আপনারা পারলে অন্য কারো কাছে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন ।

আগে বলে নেই , প্রোটিন গঠনের জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে ।১ ) সঠিক Amino এসিড  নির্বাচন
২)  সকল  এমিনো এসিড  কে অবশ্যই L-এমিনো এসিড  হতে হবে ।
৩ )  সকল এমিনো এসিড কে অবশ্যই  পেপটাইড বন্ড দিয়ে যুক্ত হতে হবে।
নিচে  ৫০০ এমিনো এসিড বিশিষ্ট প্রোটিন সমূহের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করা হল 

১)  সঠিক এমিনো এসিড নির্বাচনঃ

প্রকৃতিতে প্রায় ২০ ধরণের এমিনো এসিড পাওয়া যায় যেগুলো প্রোটিন গঠনের জন্য দায়ী।এদেরকে বলা হয় Proteinogenic Amino Acid । একটি নির্দিষ্ট প্রোটিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট এমিনো এসিড  প্রয়োজন। তাই কাকতালীয় ভাবে ঐ নির্দিষ্ট এমিনো  এসিড বাছাই হওয়ার সম্ভাবনা ১/২০ ।সুতরাং প্রোটিনের জন্য  ৫০০ টি নির্দিষ্ট এমিনো এসিড বাছাই হওয়ার সম্ভাবনা হল ১/(২০^৫০০) = ১/(১০^৬৫০)।

২। L-এমিনো এসিড হতে হবেঃ

শুধুমাত্র একটি  L-এমিনো এসিড  কাকতালীয় ভাবে পাওয়ার সম্ভাবনা ১/২ । 
৫০০ টি L-এমিনো এসিড কাকতালীয় ভাবে পাওয়ার সম্ভাবনা (১/২^৫০০) = (১/১০^১৫০)। [ actually ২^৫০০ > ১০^১৫০ । but হিসাবের সুবিধার জন্য এখানে ১০^১৫০ লেখা হয়েছে। বাকিগুলার খেতরেও এক ই কথা প্রযোজ্য। ]

৩ )  পেপটাইড বন্ড ঃ

এমিনো এসিড নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বন্ধন গঠন করতে পারে, প্রোটিনের  ক্ষেত্রে সেটা অবশ্যই পেপটাইড  বন্ড হতে হবে । আর কোন বন্ধন নয় । এখন একটি এমিনো এসিডের আরেকটি এমিনো এসিডের সাথে শুধু মাত্র পেপটাইড বন্ড দ্বারা গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা হল ১/২ ।
৫০০ টি এমিনো  এসিড  ই কাকতালীয় ভাবে পেপটাইড বন্ড দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা = ১/(২^৪৯৯) = ১/(১০^১৫০)

সুতরাং কাকতালীয় ভাবে একটি প্রোটিন গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা = (১/১০^৬৫০) x (১/১০^১৫০) x (১/১০^১৫০) = ১/(১০^৯৫০)!!!!১০^৯৫০ জানেন কত টুকু ??"১00000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000 "
গুনে দেখার দরকার নেই, আমাকে প্রোগ্রামিং করে লিখতে হয়েছে !!!!
তাঁর মানে যদি উপরের ,মহা বিশাল থেকে বিশাল সংখ্যক  ঘটনা ঘটে তাহলে একবার  একটি প্রোটিন গঠিত হবে !!!!একবার চিন্তা করে দেখুন , মানব দেহের  একটি কোষে বেশ কিছু প্রোটিন আছে। আবার মানব দেহে কোটী কোটি  কোষ  আছে । 
তাহলে সব কোশ ের প্রোটিন একসাথে গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা হবে "০"!!! 

এখন, অনেকে বলতে পারেন , "প্রোটিন  এতো সহজে সাথে সাথে উৎপন্ন হয় নি, 'হাজার হাজার বছর ধরে , আস্তে আস্তে' একটি একটি করে এমিনো এসিড যুক্ত হয়ে  প্রোটিন  উৎপন্ন হয়েছে।"
আসলে আমি এখানে সময় নিয়ে কথা বলছি না , সম্ভাব্যতা ও সেটা নিয়ে কিছুই বলছে না। এখানে বলা হচ্ছে , প্রোটিন কি কাকতালীয় ভাবে গঠিত হয়েছে নাকি না। সেটা হতে এক সেকেন্ড লাগুক  অথবা এক হাজার বছর । এখন এটা স্পষ্ট যে একটি প্রোটিন অণু কাকতালীয় ভাবে উৎপন্ন হওয়া অসম্ভব। তার মানে অবশ্যই একজন স্রষ্টা আছেন যিনি সব কিছু সৃষ্টি করেছেন । 

That means No EVOLUTION, and there is a GOD.

 ।


links:
1. http://en.wikipedia.org/wiki/Amino_acid
2 http://en.wikipedia.org/wiki/Protein

এই লিঙ্কগুলো আমার সরাসরি কাজে লেগেছে।


http://en.wikipedia.org/wiki/Chromosomehttp://en.wikipedia.org/wiki/Nucleotideshttp://en.wikipedia.org/wiki/Chromatin
http://en.wikipedia.org/wiki/Histone
http://en.wikipedia.org/wiki/Mitochondrion
http://en.wikipedia.org/wiki/Protein#Biochemistry
http://en.wikipedia.org/wiki/Peptide_sequencehttp://en.wikipedia.org/wiki/Proteinogenic_amino_acid 
http://en.wikipedia.org/wiki/Universal_genetic_code এগুলো সরাসরি লাগে নি , তবে আপনারা আরো জানতে চাইলে দেখতে পারেন । 

Thursday, May 10, 2012

"সত্য এক , ঈশ্বর এক, জ্ঞানীরা তাঁকে বিভিন্ন নামে ডাকে" - রিগবেদ


"হিন্দু ধর্মগ্রন্থে এক ঈশ্বর ??!!!" আমি জানি , কথাটা শুনলে অনেক ভাই বোনদের (হোক মুসলিম কিংবা অমুসলিম) মনে এই প্রশ্নটা জাগবে । জানি, কথাটা  সাধারণ হিন্দু ভাই বোনদের কে একটু দ্বিধায় ফেলেতে পারে। কিন্তু , হিন্দু ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী ঈশ্বর মাত্র একজন। আগে সকল হিন্দু ভাই বোনদের কে বলছি, এই নোটটা আপনাদের বিশ্বাস কে খাটো করে দেখানোর জন্য না। এই নোটটা আমার কথা না। এই ণতে আমি বলছি আপনাদের ধর্মগ্রন্থ কি বলছে । এই নোট টা আমি লিখছি আপনাদের মুল ধর্মগ্রন্থের মুলবিশ্বাসের দিকে আহ্বান করার জন্য। আমার আগেও স্বামী বিবেকানন্দ , রাজা রামমোহন রায় প্রমুখ একই কথাই বলেছেন।



তাই আমি শুরু করছি আপনাদের পবিত্র গ্রন্থ ভগবদ গীতা দিয়ে।



১. ভগবদ গীতায় ঈশ্বরের ধারণা :


''সেসব লোক যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাঙ্খা, তারাই মূর্তি পূজা করে।'' (ভগবদ গীতা ৭:২০) 





২.উপনিষদে ঈশ্বরের ধারণা


আগে বলে নেই উপনিষদ কি ?? উপনিষদ হচ্ছে হিন্দু ভাই বোনদের কাছে বেদের পরে ,  সবচেয়ে পবিত্র ধরম গ্রন্থ । সংস্কৃত  ভাষায় , 'উপ' অর্থ 'কাছাকাছি', 'নি' অর্থ 'নিচে' এবং 'ষদ' অর্থ ছাত্র ।এখন আসল কথায় আসি ,

ছান্দোগ্য উপানিষদ , প্রাপাথাকা(অধ্যায়) ৬, শ্লোক ২, "এক্কাম এবাদিতিয়াম"অর্থাৎঃ ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় ।

শ্বেতাশ্বত্র উপনিষদ  অধ্যায় ৬ , শ্লোক ৯ "না চাস ইয়া কাসচিজ জানিতা না কাধিপাহ" অর্থাৎঃ" ঈশ্বরের কোন বাবা মা নেই, তার কোন প্রভু নেই"। 
শ্বেতাশ্বত্র উপানিষদ, অধ্যায় ৪, শ্লোক ১৯ " na tasya pratima  asti"(না তাস্যা প্রাতিমা আস্তি) অর্থাৎঃ" ঈশ্বরের কোন প্রতিমা নেই।"

৩। বেদে   ঈশ্বরের  ধারণা ঃ বেদ হল হিন্দু ধর্মে সবচেয়ে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। বেদ শব্দটি এসেছে "বিদ" থেকে যার অর্থ "জানা, পবিত্র জ্ঞান"।  mainly প্রধানত  চার ধরনের বেদ রয়েছে, 


ক। রিগবেদ
খ। অথর্ব বেদ
গ। যজুর্বেদ ।
ঘ। সামবেদ ।


এখন আমরা দেখি বেদ অনুযায়ী ঈশ্বরের ধারণা ,

ঋগবেদ গ্রন্থ ১, পরিচ্ছেদ ১৬৪, অনুচ্ছেদ ৪৬ "সত্য একটাই। ঈশ্বর একজনই। জ্ঞানীরা এক ঈশ্বরকে  ডেকে থাকেন অনেক নামে।"

 যজুর্বেদ অধ্যায় ৩২, শ্লোক ৩ "na tasya pratima asti ..."( না তাস্যা প্রাতিমা আস্তি)  

অর্থাৎঃ "ঈশ্বরের কোন প্রতিমা নেই, মূর্তি নেই, ছবি নেই।" 


  যজুর্বেদ অধ্যায় ৪০, শ্লোক ৯ “Andhatma pravishanti ye asambhuti mupaste”(আন্ধাস্মা প্রাভিসান্তি ইয়ে আসাম্ভুতি মুপাস্তে) আন্ধাস্মা মানে অন্ধকার, প্রাভিসান্তি মানে প্রবেশ করা, আসাম্ভুতি মানে প্রাকৃতিক বস্তু( পানি, আগুন, সাপ, মানুষ ইত্যাদি) মুপাস্তে মানে উপাসনা করা।
অর্থাৎঃ" তারা অন্ধকারে যাচ্ছে যারা আসাম্ভুতি মানে প্রাকৃতিক বস্তু(পানি,আগুন, সাপ, মানুষ ইত্যাদির) উপাসনা করে"

রিগবেদ গ্রন্থ ৮, পরিচ্ছেদ ১, শ্লোক ১ এ বলা হয়েছে ""Ma cid anyad vi sansata sakhayo ma rishanyata""অর্থাৎ "বন্ধুগণ, একমাত্র ঈশ্বরকে  ছাড়া কার ও উপাসনা করো না, শুধুমাত্র উনার ই প্রশংসা করো ।


এই ছোট একটি নোটের মাধ্যমে আমরা আশা করি বুঝতে পারলাম যে , হিন্দু ধর্ম গ্রন্থ অনুযায়ী , ঈশ্বর মাত্র একজন। আমাদের শুধু তার ই উপাসনা করা উচিত ।আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ আমাদ্র জ্ঞান দান করুন । আমিন ।

Wednesday, May 9, 2012

বাংলাদেশে Islamophobia ও আমাদের করনীয়


"ধর্ম কখনো বিজ্ঞানের পক্ষে ছিল না!!! মধ্যযুগে কিছু মুসলিম মনীষী বিজ্ঞানে উন্নতি করেছিলেন কারণ তারা কোরআন থেকে দূরে ছিলেন আর খলিফারা সবসময় ই এসব লোককে নাস্তিক মুরতাদ বলে ঘোষণা করত!!! " 

"দিনে পাঁচবার মাটিতে মাথা ঠেকানো মু'মিনেরা যতই বুরখা বুরখা বলে চিল্লাক , মনের ভিতরে তো ৭২ টা হুর নামের মহিলারা!!!"  

"হেহ ! ধর্মান্ধ মৌলবাদীরাই ইসলাম ইসলাম বলে গলা ফাটায়! রাজাকার!! ওরা মুক্তভাবে চিন্তা করে না!!!" (আল্লাহর কাছে এসব থেকে আশ্রয় চাচ্ছি)


উপরের কথাগুলো  , গত ২-১ বছরে আগাছার মতো গড়ে উঠা বাঙ্গালী কিছু "মুক্তমনা"(!)নামক Islamophobe দের  মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়  স্ট্যাটাস , ব্লগ, কমেন্টের বিষয়। এসব তথাকথিত  "মুক্তচিন্তার" লোকেরা নিজেদের কে "যুক্তিবাদী" ,"নাস্তিক" কিংবা "অবিশ্বাসি" হিসেবে পরিচয় দেন। বলতে গেলে এটাই এখন  ১৯-২০ বছর বয়সী তরুণদের  জন্য  একটা ফ্যাশন। নাস্তিকতা মানেই আধুনিকতা (!)!!!

আমাদের এই নোটটা হল তাদের  উপর , কেন তারা এইরকম ব্লগ , বই লেখে এবং আমাদের কি করতে হবে।

১)কারণ  ঃ  সবচেয়ে বড় কারণ হল  খ্যাতি। হ্যাঁ। তারা বিখ্যাত হতে চায় । তাদের প্রকৃতপক্ষে ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই। আসল উদ্দেশ্যই হল বিখ্যাত  হওয়া। একই কাজ করেছিল  সালমান রুশদি , তাসলিমা নাসরীন রা।  এরা  ইসলামে মানবতাবিরোধী কিছু কখনো পায় নি , বরং "মত প্রকাশের স্বাধীনতা" এর নামে  ইসলাম সম্বন্ধে মিথ্যা প্রচার করেছিল।  

রুশদির গালিগালাজ :


রুশদি তো বিখ্যাত হয়েছিলই কোরআন কে গালি দিয়ে। মিডিয়া শুধু এটাই হাইলাইট করছিল রুশদি নাকি কোরআন কে গালি দিয়েছে। কিন্তু কোন মিডিয়া এটা বলে নি যে ও শুধু ইসলাম সম্বন্ধে না , যাকে পেরেছে গালি দিয়েছে । 

হিন্দু ধর্মের  ভাইরা দেখুন  রাম ও সীতাকে কি বলেছেঃ " Here was a lecherous, drunken Rama and a flighty Sita "' । ডিকশনারি খুলে দেখেন "lechourus"  এর অর্থ  ঃ " having excessive indulgence in sexual activity; lewdness "

আর উনি আমেরিকান জনগণ কে বলেছেন ঃ "the motherfucking Americans, yaar, the sisterfucking British"।

এই লোকটা তার অনবদ্য সাহিত্যের(!) জন্য নাকি বিখ্যাত, উনি নাকি নোবেল  এর জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন, ম্যান বুকার পুরস্কার ও পেয়েছিলেন !!! কারণ একটাই , তিনি ইসলামের বিরুদ্ধে লিহেছিলেন। আজকাল আমাদের ব্লগার Islamophobe রাও একী  কায়দায় বিখ্যাত হওয়ার চেষ্টা করছেন।

রুশদি নিয়ে পরে বিস্তারিত নোট লিখব ইনশাআল্লাহ , তবে এই নোটে না।


২) প্রক্রিয়া ঃ


আপনারা হয়তোবা ভাবতে পারেন ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলে এদের খ্যাতি আসবে কি করে ???কারণ খুব  সোজা । যারা search engine  এর কাজ করার প্রক্রিয়া সম্বন্ধে জানেন তারা খুব ভালো করে জানেন  যে , কোন ওয়েবসাইট  কে Search engine  এর লিস্টে আগে আনার অন্যতম প্রক্রিয়া হল  সাইট টি তে ভিজিট বাড়ানো। একী কথা ব্লগ গুলার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ।  যত বেশি ভিজিট তত  বেশি সম্ভাবনা থাকবে সাইটটি প্রথম দিকে থাকার। আর  তাছাড়া ভিজিতের সংখ্যা বেশি হলে Google Adsense সহ বিভিন্ন ভাবে সাইটে Ad ও  পাওয়া যায় যার ফলে টাকা ক্যামনো ও সম্ভব।  

এ কারণে  এসব ইসলামোফোবরা ইসলাম সম্বন্ধে বিভিন্ন  স্পর্শকাতর  মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বেড়ায় । কারণ তারা জানে , যদি সাধারণ মুসলিম এসব পড়ে তাহলে সে  সবাইকে  এ সাইট সম্বন্ধে সতর্ক করে দিবে ার ফল হিসেবে তাঁর পেজের অলিখিত Advertisement হয়ে যাবে!! তাছাড়া অনেক  মুসলিম তাদের কে উত্তর দেওয়ার জন্য  তাদের ই সাইট , ব্লগে ঢু মারবে ফলে ভিজিট বেড়ে তাদের  Search Engine এ তাদের র‍্যাঙ্কিং ও বেড়ে যাবে। 

ইসলামোফোবরা ফেসবুকে বিভিন্ন ফ্যানপেজ ও খুলে একী কারণে। ইসলামের বিরুদ্ধ ে বিভিন্ন  মিথ্যা কথা বলে বেড়ায় ঐ সকল পেজ  যাতে সাধারণ মুসলিমরা তাদের কে উত্তর  দেওয়ার জন্য কমেন্ট করে। ফলে ঐ সকল  মুসলিমদের  Friend দের  হোম পেজে তাদের কমেন্ট দেওয়ার স্টোরি আসবে এবং আবারো তাদের পেজ প্রোমোট!!!


৩) মুসলিমদের করনীয় ঃ

মুসলিমদের করণীয়  কাজ হল সবার আগে ঐ সকল সাইটে,/ব্লগে/পেজে না যাওয়া।

সবাইকে এ জাতীয় সাইট কিংবা ব্লগে না যাওয়ার কারণ ফলাফল সম্বন্ধে সতর্ক করে দেওয়া ।(আমার নোট ও শেয়ার করতে পারেন)

আল্লাহ্‌র সাহায্যে এখন অনেক ইসলামিক ওয়েবসাইট রয়েছে। আপনি সেখানে যেতে পারেন । যেমন www.islamnewsroom.com , www.islamqa.com , www.scienceislam.com .

আর  ঐ  সকল islamophobeder পেজের স্ট্যাটাস বা পোস্টে কমেন্ট করবেন না । তাদের  নাম না নিয়ে , তাদের মিঠা অপবাদ গুলোকে খণ্ডন  করতে পারেন আপনার নিজস্ব  পোস্ট, নোটে। তাহলে মানুষ ইনশাআল্লাহ সত্যটা জানতে পারবে।


সবশেষে  এটা বলতে চাই কোন  ইসলামোফোব টাইপের স্ট্যাটাস দেখলে মাথা গরম করবেন না। মেজাজ  গরম হলে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। তখন মাথা টা ঠাণ্ডা করে আপনার কাজ টা করুন।মনে রাখবেন , আল্লাহ ক্বুরআনে বলেছেন  ঃ "তোমার প্রতিপালকের পথে আহবান কর  জ্ঞান ও সদুপদেশ দ্বারা , এবং তাদের সাথে বিতর্ক করো সর্বোত্তম পন্থায়।" (১৬:১২৫)

 এই নোটে যা কিছু ভালো তার সবকিছুই আল্লাহর পক্ষ হতে , আর যা কিছু ভুল তা আমার  নিজের ভুল। আল্লাহ আমাকে আমার ভুলের জন্য ক্ষমা করুন ।